ঝিনাইদহ অফিস:
স্বামী বদল করে এক গর্ভবতী নারীর মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বেগতিক দেখে ইউপি সদস্য ভুল স্বীকার করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের চাঁপাতলা।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে, চাঁপাতলা গ্রামের হামিদুলের স্ত্রী আসমা খাতুন ২০১৮-২০১৯ বছরে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রাপ্য হিসেবে তালিকায় নাম অর্ন্তভুক্তি হয়। হামিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ভাতা বইতে তাঁর নাম না বসিয়ে সুকৌশলে এলাকার ইউপি সদস্য মমিনুল ইসলাম তাঁর আপন বিয়াই সাইফুল ইসলামকে তাঁর স্ত্রীর স্বামী সাজিয়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা তুলে নেন। এদিকে হামিদুল-আসমা দম্পতি টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ে। এ নিয়ে গ্রামে হৈ চৈ শুরু হয়। সাইফুল ইসলাম ভাতার টাকা না পেয়ে আসল প্রাপ্যদ্বার আসমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন।
বিষয়টি নিয়ে সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁর স্ত্রী সালমা খাতুন ফোন রিসিভ করে জানান, ভাতার টাকা দুইজনের ভাগাভাগি করে নেওয়ার কথা ছিল। এ জন্য হামিদুলের পরিবর্তে আমার স্বামীর নাম দেওয়া হয়।
একই গ্রামের আফজদ্দিন জানান, ইউপি মেম্বার মোমিন ও তাঁর বিয়াই হরহামেশাই এমন কাজ করছেন। তাঁর পুত্রবধূ রজিনা খাতুনের মাতৃত্বকালীন ভাতা করে দেওয়ার জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ভাতা হয়নি। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মোমিন মেম্বার জানান, বিষয়টি ভুল হয়েছে। তিনি ঠিক করে দিবেন।
