ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদায় রাজা ব্রিক্সের মাটি প্রধান সড়কে পড়ে কর্দমাক্ত, দুর্ঘটনার কবলে ডিম বোঝাই আলমসাধু
জরিমানার টাকা ভুক্তভোগীদের মধ্যে বণ্টন, কয়েকটি শর্ত নিশ্চিতে সময় বেঁেধ দিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত
প্রতিবেদক দামুড়হুদা:
দামুড়হুদার রাজা বিক্সের সামনের সড়কে সামান্য বৃষ্টিতে ইটভাটার মাটিতে কাঁদার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডিম বোঝায় একটি আলমসাধু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে আলমসাধুতে থাকা প্রায় সব ডিম ভেঙে নষ্ট হয়ে যায়। পরে দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত কুমার সিংহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ইটভাটার মালিককে ৩৬ হাজার ৫ শ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার সেই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত ডিমের মালিক ও আলমসাধু চালককে দেওয়া হয়।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর কাঁঠালতলার এনামুর একটি ডিম বোঝায় আলমসাধু নিয়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে দামুড়হুদার দিকে আসছিলেন। পথের মধ্যে রাজা ব্রিক্সের সামনে পৌছালে জমে থাকা মাটির কারণে প্রধান সড়ক কর্দমাক্ত হওয়ায় কাঁদায় আলমসাধু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে আলমসাধুতে থাকা প্রায় সব ডিম ভেঙে নষ্ট হয়ে যায়। এ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমানের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত কুমার সিংহ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে রাজা ব্রিক্সের মালিক ইকবাল মাহমুদ টিটু মিয়াকে ৩৬ হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার সেই টাকা ডিমের মালিক এনামুলকে ৩৫ হাজার, আলমসাধু চালককে ১ হাজার ও হেলপারকে ৫ শ টাকা করে ভাগ করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল আলম মিল্টন ও দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ।
দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত কুমার সিংহ বলেন, রাজা ব্রিক্সের মালিক ইকবাল মাহমুদ টিটুকে কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলো হলো- রাস্তার ওপরের দুই পাশের সমস্ত মাটি কেটে ৬ জন শ্রমিক দিয়ে রাস্তার পাশে ফেলা হয়। ব্র্যাকের অফিস থেকে রাজা ব্রিক্সের অপর পাশ পর্যন্ত রাস্তা সকাল-বিকেল ৬ জন শ্রমিক দিয়ে পরিস্কার রাখবে, রাস্তার পাশে রাখা ইট আগামী সাতদিনের মধ্যে সরিয়ে নিবে। মাটি পরিবহনের সময় অবশ্যই পলিথিন/চটের বস্তার ব্যবহার করবেন। এই শর্তগুলো আগামী সাত দিনের মধ্যে অবশ্যই নিশ্চিত করবেন এই মর্মে একটি মুচলেকা নেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
