চুয়াডাঙ্গা হায়দারপুরের টিউবওয়েল মিস্ত্রী ফারুক নিখোঁজ রহস্য উম্মোচিত : হতবাক এলাকাবাসি

আপলোড তারিখঃ 2017-05-08 ইং
চুয়াডাঙ্গা হায়দারপুরের টিউবওয়েল মিস্ত্রী ফারুক নিখোঁজ রহস্য উম্মোচিত : হতবাক এলাকাবাসি ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:  চুয়াডাঙ্গা পদ্মবিলা ইউনিয়নের হায়দারপুরের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে টিউবওয়েল মিস্ত্রী ফারুক (৩৫) নিখোঁজের ৯দিন পর রহস্য উম্মোচিত হয়েছে। গত ২৯এপ্রিল বিকালে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজের নাটক করে ফারুক। নিখোঁজের ১২ ঘন্টা পর এলাকার একটি পানবরজ থেকে ফারুকের রক্তমাখা লুঙ্গি ও স্যান্ডেল উদ্ধার করে পুলিশ। সরেজমিনে জানা গেছে, গত ২৯এপ্রিল বিকালে ফারুক নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে না আসায় তার নিকটজনেরা বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুজি করে তার সন্ধান পেতে ব্যর্থ হয়। পরদিন সকালে গ্রামবাসি এলাকার একটি পানবরজ থেকে ফারুকের রক্তমাখা  লুঙ্গি ও স্যান্ডেল দেখতে পায়। ফারুকের স্ত্রী জলি ওই রক্তমাখা  লুঙ্গি ও স্যান্ডেল নিজের স্বামীর বলে জানালে এলাকাবাসি পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ওই রক্তমাখা লুঙ্গি ও স্যান্ডেল উদ্ধার করে নিয়ে আসে। কিন্তু প্রথম থেকেই ফারুকের নিখোঁজ এবং পানবরজ থেকে উদ্ধার হওয়া রক্তমাখা লুঙ্গি ও স্যান্ডেল নিয়ে এলাকাবাসি মধ্যে নানা সন্দেহ দানা বাধতে থাকে, চলতে থাকে নানা রকম কানাঘুষা। ফারুক নিখোঁজের পরদিন এ ব্যাপারে তার স্ত্রী জলিকে জিজ্ঞাসা করলে রক্তমাখা লুঙ্গি ও স্যান্ডেল তার স্বামীর বলে দাবি করলেও নিখোঁজ বিষয়ে সে কিছু জানেনা বলে এই প্রতিবেদকে জানায়। এরপর নিরবিচ্ছিন্ন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সরেজমিনে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, কয়েকটি সমিতিসহ আরো ক’জন ব্যক্তি ফারুকের কাছে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা পায়। ফারুক দীর্ঘদিন থেকে এই টাকা পরিশোধে পাওনাদারদের ঘুরাচ্ছিল। পাওনাদারদের টাকা পরিশোধে বার বার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গও পৌছেছিল শেষ পর্যায়ে। উপায়ন্তর না দেখে গত ২৯এপ্রিল বাড়ি থেকে বের হন ফারুক। ফারুকের স্ত্রী জলি খাতুন জানান, আমার স্বামী বেচে আছে। আমার সাথে মোবাইলে কথাও হয়েছে। ২ মাস পর বাড়ি ফিরবে বলে জানিয়েছে সে। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন এনজিও এবং ব্যক্তির কাছে লক্ষাধিক টাকার ঋণি থাকার কারণে ফারুক রক্তমাখা লুঙ্গি ও স্যান্ডেল নিয়ে নিখোঁজের নাটক তৈরি করে। এ দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিবর রহমান বলেন, ফারুক কোথায় আছে জানা যায়নি, তবে লোকমুখে শুনেছি এলাকার কয়েকজনের সাথে তার মোবাইলফোনে কথা হয়েছে। তবে গতকাল সোমবার ফারুকের স্ত্রী আমার বাড়িতে এসেছিল কিন্তু এ বিষয়ে কিছুই বলে নি সে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)