ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় মানবিক সহায়তা বিতরণকালে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় ২০০ জন নরসুন্দর (সেলুনে কর্মরত কর্মচারী) ও দুস্থ শিল্পীদের মধ্যে মানবিক সহায়তা কর্মসুচির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা ডিসি সাহিত্যমঞ্চ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মানবিক সহায়তা বিতরণ করেন। এসময় প্রত্যেককে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পিঁয়াজ ও ১ কেজি মশুরির ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি ও ১ প্যাকেট সেমাই প্রদান করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আমজাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান, শহিদুল আলম প্রমুখ।
বিতরণকালে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে মানুষের বেঁচে থাকার সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছেন। তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা ভাবেন। তাই সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেই এ ত্রাণ-সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এর আগে শ্রমিক, ভাসমান ও দুস্থ, অসহায়সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। আপনাদের মাঝেও এগুলো বিতরণ করা হলো। আমাদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সচেতন থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। কোভিডে আক্রান্ত এবং মত্যুর সংখ্যা এখন মোটেও কম নয়। এটা দেখে হলেও আমাদের সচেতন হতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে সবার আগে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। যাঁরা স্বাস্থ্যবিধি মানতে চাচ্ছেন না, তারাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।
বিতরণকালে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে মানুষের বেঁচে থাকার সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছেন। তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা ভাবেন। তাই সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেই এ ত্রাণ-সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এর আগে শ্রমিক, ভাসমান ও দুস্থ, অসহায়সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। আপনাদের মাঝেও এগুলো বিতরণ করা হলো। আমাদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সচেতন থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। কোভিডে আক্রান্ত এবং মত্যুর সংখ্যা এখন মোটেও কম নয়। এটা দেখে হলেও আমাদের সচেতন হতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে সবার আগে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। যাঁরা স্বাস্থ্যবিধি মানতে চাচ্ছেন না, তারাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।
