ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা আন্তর্জান্তিক বন্দর দিয়ে প্রতিদিনই আসছে ভারতীয় মালবাহী ট্রেন
সমীকরণ প্রতিবেদন:
দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বন্ধ থাকলেও প্রতিদিনই ভারতীয় আমদানি করা পণ্যবাহী ট্রেন দর্শনা বন্দরে ঢুকছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা নাগাদ তিনটি ভারতীয় মালবাহী ট্রেন দর্শনা বন্দরের মাধ্যমে ঢুকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে। এতে করে দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করছে তারা।
দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলস্টেশনের তত্ত্বাবধায়ক মীর লিয়াকত আলি জানান, ভারত থেকে ওই দিন মোট তিনটি আমদানি করা পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রেন দর্শনা বন্দরে প্রবেশ করে। গমভর্তি প্রথম চালান আসে বেলা আড়াইটার দিকে। সাড়ে ৩টার দিকে আসে পাথর ও বিকেল ৫টার দিকে আসে ভুট্টাভর্তি র্যাক (মালবাহী ওয়াগন)। তিনি জানান, করোনার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল স্ক্রিনিং টিম কাজ করে যাচ্ছে। সকলেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হেনা জামাল শুভ জানান, একজন এমবিবিএস ডা. তানভির আসিফ মোস্তবার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল কাজ করে যাচ্ছে। যখন ভারত থেকে জরুরি খাদ্যবাহী রেল বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে, ঠিক তখনি দর্শনা সীমান্তের শূন্যরেখায় রেল দাঁড় করিয়ে রেলের পরিচালকসহ তিনজনকে স্ক্রিনিং করানো হচ্ছে। ঝুঁকিমুক্ত নিশ্চিত হওয়ার পরেই কেবল তাদের প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, (মালবাহী ট্রেনে) ভারতীয় রেল পরিচালকসহ তিনজন সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে কাজ শেষ করে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, শুল্ক বিভাগ (কাস্টমস) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্ভিদ সঙ্ঘ নিরোধ উইং (কোয়ারেন্টিন) এবং ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিংয়ের (সিঅ্যান্ডএফ) আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমদানি করা ভারতীয় পণ্যের চালান দর্শনা বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে।
এদিকে, গত বুধবার করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এর দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও খাদ্য সচিব ড. নাজমানারা খানুম চুয়াডাঙ্গা সফরে এসে সাংবাদিকদের জানান, অন্যান্য জেলার চাইতে চুয়াডাঙ্গার অবস্থা বেশ ভালো। তবে সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে সংশ্লিষ্টদের আরো বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
