ছবির ক্যাপশন:
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানেও ঠেকানো যাচ্ছে না লোকসমাগম
সমীকরণ প্রতিবেদক:
সর্বাত্মক লকডাউনে দেশ! বন্ধ গণপরিবহন চলাচল! তবুও যেন ফাঁকা নেই চুয়াডাঙ্গার রাস্তাঘাট! নানা অজুুহাতে রাস্তায় নামছে সাধারণ মানুষ! যদিও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তারা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে প্রত্যেকটি যানবাহন থামিয়ে মুভমেন্ট পাস আছে কি-না জানতে চাইছেন। তারপরও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। চলমান লকডাউন নিয়ে সরকারের পক্ষে থেকে কঠোর বার্তা দিলেও গত দু-দিন ঢিলেঢালাভাবে পালন হয়েছে।
তথ্যমতে, গত ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন কার্যক্রর শুরু করেছে সরকার। ‘কঠোর লকডাউন’ কার্যকর করতে ১৩ দফা বিধিনিষেধে দেয়া হয়েছে। ‘অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত কেউ বাইরে যেতে পারবে না’। কিন্তু বাস্তবতায় লকডাউনের চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। দ্বিতীয় দিনে রাস্তায় রিকশা-অটো চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো।
চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজার, রেল বাজার, নতুন বাজার ও কলেজ রোড এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, প্রথম দিনের চেয়ে দ্বিতীয় দিনে বেশি মানুষ রাস্তায় মেনেছে। লকডাউনের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখের ছুটি থাকায় সব কিছু বন্ধ ছিল। ফলে মানুষ ঘর থেকে বের হয়েছিল কম। কিন্তু দ্বিতীয় দিনে ব্যাংক, বিভিন্ন বেসরকারি শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা। ফলে কর্মস্থলে যোগ দিতেই রাস্তায় নামে সাধারণ মানুষ। কেউ নিজস্ব বাইক ব্যবহার করছে, রিকশা-অটো নিয়েও চলাচল করছে কেউ কেউ। সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনে কঠোর অবস্থানে ছিল পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। তারা শহরের গুরত্বপুর্ণ রাস্তাগুলোতে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তল্লাশি চৌকিতে প্রত্যেকটি যানবাহন থামিয়ে মুভমেন্ট পাস আছে কি না জানতে চাইছেন পুলিশ সদস্যরা। যারা পাস দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তাদেরকে জরিমানা করে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, কঠোর লকডাউনের মধ্যে লোকসমাগম ছিল চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের কাঁচাবাজারে। যদিও নিত্য-প্রয়োজনীয় কেনাকাটার উদ্দেশ্যে মানুষ ঘর থেকে বের হয়েছে, তবে অনেককে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বাজারে গিয়ে ক্রেতারা অভিযোগ করেন লকডাউনের সুযোগে ব্যবসায়ীরা সবজির-পণ্যের দাম বেশি নিচ্ছেন।
অপর দিকে, ইজিবাইকে এক সঙ্গে একাধিক মানুষকে যাতায়াত করার দৃশ্য মিলেছে। এখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না বললেই চলে।
