ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা নেহালপুরের হারুন তালাকী স্ত্রী’র জামিন ঠেকাতে আদারত চত্বরে
বোরকা পড়ে ঘোরাঘুরি : কৌতুহল
নিজস্ব প্রতিবেদক: বোরকা পড়ে চুয়াডাঙ্গা আদালতে এসে গ্যারাকলে পড়েন নেহালপুরের হারুন অর রশীদ। তাকে দেখে পুলিশের সন্দেহ হলে তাকে বোরকা খুলতে বলে। এরপরই দেখা যায় বোরকা পড়া মহিলা নন, তিনি আসলেই পুরুষ। পরে হারুন অর রশীদকে আটক করে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ড. এবিএম মাহমুদুল হকের কাছে নেয়া হয়। বাদি পক্ষের ভয়ে হারুন বোরকা পড়ে আদালতে এসেছেন বলে জানালে পরে তাকে মুক্ত দেয়া হয়।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নেহালপুর গ্রামের মৃত সিদ্দিক উল্লা’র ছেলে সিরাজ মিয়া ও একই গ্রামের সুলতান মির্জার মেয়ে রোজিনার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন নেহালপুরের হাজী হারুন অর রশিদ। হারুন সৌদি আরব থাকাকালীন সময় তার বাবা সিরাজ মিয়ার সাথে স্ত্রী রোজিনা খাতুনের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুত্রবধূ ও শ্বশুরের অবৈধ সম্পর্কের কারণে হারুনের ঔরশের চার মাসের ভ্রুন নষ্ট করে দেয় উল্লেখ করে বাবা ও তালাকী স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন হারুন।
গতকাল রোববার বোরকা পড়ে চুয়াডাঙ্গা আদালতে যান হারুন। এসময় তার চলাফেরা ও আচরণ দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। পুলিশ তার সাথে কথা বলে পুরুষের কণ্ঠ বুঝতে পারে। পরে তাকে বোরকা খুলতে বললে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। বোরকা পরিহিত তিনি মহিলা নন, পুরুষ। এদিকে, পুরুষ মানুষ বোরকা পড়ে আদালত চত্বরে আসায় হারুনকে আটক করে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ড. এবিএম মাহমুদুল হকের কাছে নেয়। এসময় হারুন জানায়, তালাকী স্ত্রী ও নিজের পিতার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার ওয়ারেন্ট বের হয়েছে। শনিবার রাতে রোজিনাকে গ্রেফতার করতে যায় পুলিশ। এঘটনায় রোজিনা জামিন নেয়ার জন্য আদালতে এসেছে। সে যাতে জামিন না পায় এজন্য হারুনও আদালতে আসে। বোরকা পড়ে আদালতে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে হারুন জানায়, আদালত চত্বরে তাকে দেখে ফেললে রোজিনার লোকজন হারুনকে প্রাণে মেরে ফেলবে। জীবন বাঁচাতে সে বোরকা পড়ে আদালতে আসে।
পরে হারুন অর রশীদকে মুক্তি দেন চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ড. এবিএম মাহমুদুল হক।
