ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা, গাংনী, কালীগঞ্জসহ সারা দেশে ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল
সমীকরণ প্রতিবেদন:
সরকার ঘোষিত ‘লকডাউনে’ দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখতে চাইছেন ব্যবসায়ীরা। এই দাবিতে গতকাল সোমবার আলমডাঙ্গা, গাংনী, কালীগঞ্জসহ সারা দেশে মানববন্ধন করেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাঁরা শিল্প-কারখানার মতো সুপারমার্কেট ও দোকানগুলো সীমিত সময়ের জন্য হলেও খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন। ঈদ সামনে রেখে দোকানপাট বন্ধ থাকলে বিশাল লোকসানের কথাও তুলে ধরেছেন তাঁরা।
আলমডাঙ্গা:
‘লকডাউনের’ মধ্যে দোকান খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বৃহত্তর কাপড়পট্টির ব্যবসায়ীরা। কাপড়পট্টিতে তাঁরা প্রশাসনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বৃহত্তর কাপড়পট্টি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজি গোলাম রহমান সিঞ্জুলের নেতৃত্বে মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাপড়পট্টিতে এসে শেষ করেন। এদিকে প্রশাসনের ওই টিম কাপড়পট্টিতে গেলে ব্যবসায়ীদের মিছিলের সামনে পড়েন। এসময় ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার দাবি জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা বৃহত্তর কাপড়পট্টি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম রহমান সিঞ্জুল, সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের সদস্য আবু মুছা, সৈয়দ সাজেদুল হক মনি, হাজি আব্দুল খালেক, বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনসহ প্রায় ২ শ ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
ব্যবসায়ীদের পক্ষে গোলাম রহমান সিঞ্জুল বলেন, ‘লকডাউনে’ কাঁচাবাজার খোলা থাকবে, মুদিখানা খোলা থাকবে, এতে যদি কোনো ক্ষতি না হয়, তাহলে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার অনুমতি দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঘর ভাড়া আছে, কর্মচারীর বেতন আছে, আমরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা কোনো সাহায্য-সহযোগিতা পাই না। তাই প্রশাসনের কাছে অনুরোধ আমাদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হোক।’
ব্যবসায়ীদের এই দাবির বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মণ্ডল বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার যে নির্দেশনা জারি করেছে, সেটা বাস্তবায়ন করার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করছি। ‘লকডাউনের’ এই সিদ্ধান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত এবং এটি সারা দেশের জন্যই। আলমডাঙ্গার জন্য আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তিনি বলেন, ব্যবসায়ী ও তাঁদের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। সরকারি নির্দেশনা তাঁদের মেনে চলার অনুরোধ করেছি। তা না হলে আমাদের আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
গাংনী:
আসছে রমজান, তাই ঈদের আগে বেচাকেনার শুরু না হতেই ‘লকডাউনের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মেহেরপুরের গাংনীর ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। গতকাল সোমবার সকালে সকল স্তরের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। গাংনী বাজার কমিটির সভাপতি মাহাবুবুর রহমান স্বপনের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল করে সারা শহর প্রদক্ষিণ করেন। পরে শহীদ রেজাউল চত্বরে মিলিত হন।
ব্যবসায়ীরা জানান, জীবন যাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। জনসাধারনের চলাচল স্বাভাবিক অথচ দোকান-পাট বন্ধ রাখা হচ্ছে। আসন্ন রমজান ও ঈদের সময় ব্যবসা না হলে পথে বসতে হবে তাঁদের। তাই সামাজিক দূরুত্ব বজায় রেখেই দোকান-পাট খুলে দেওয়ার দাবি জানান। পরে প্রশাসনের পক্ষে থেকে তাঁদেরকে লিখিতভাবে জানানোর কথা বলা হলে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা লিখিতভাবে তাঁদের সমস্যাগুলো জানান এবং প্রশাসনে আশ^াসে তাঁরা বিক্ষোভ বন্ধ করে বাড়ি ফিরে যান।
কালীগঞ্জ:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ‘লকডাউনের’ বিরুদ্ধে ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ‘লকডাউনের’ প্রথম দিন গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন তাঁরা। এসময় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সড়কে অবরোধ চলাকালীন সময়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া এসে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর বেলা দুইটার দিকে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করেন তাঁরা।
রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে দেশে ‘লকডাউন’ শুরু হয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। এজন্য ‘লকডাউন’ প্রত্যাহারের দাবিতে রাস্তায় নেমে পড়েন ব্যবসায়ীরা। গতকাল সোমবার তাঁরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেইন বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন কালীগঞ্জ উপজেলা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক ইনদাদুল হক ইনতা, ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল হান্নান, জহুরুল হক বিপ্ল¬ব, আক্তার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সারা বছর তেমন বেচাকেনা থাকে না ব্যবসায়ীদের। ঈদেই একটু ভালো বেচাকেনা হয়। এর আগের ঈদেও ব্যবসায়ীরা ‘লকডাউনে’ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। তাঁরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান। অবিলম্বে ‘লকডাউন’ প্রত্যাহার করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
আসছে রমজান, তাই ঈদের আগে বেচাকেনার শুরু না হতেই ‘লকডাউনের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মেহেরপুরের গাংনীর ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। গতকাল সোমবার সকালে সকল স্তরের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। গাংনী বাজার কমিটির সভাপতি মাহাবুবুর রহমান স্বপনের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল করে সারা শহর প্রদক্ষিণ করেন। পরে শহীদ রেজাউল চত্বরে মিলিত হন।
ব্যবসায়ীরা জানান, জীবন যাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। জনসাধারনের চলাচল স্বাভাবিক অথচ দোকান-পাট বন্ধ রাখা হচ্ছে। আসন্ন রমজান ও ঈদের সময় ব্যবসা না হলে পথে বসতে হবে তাঁদের। তাই সামাজিক দূরুত্ব বজায় রেখেই দোকান-পাট খুলে দেওয়ার দাবি জানান। পরে প্রশাসনের পক্ষে থেকে তাঁদেরকে লিখিতভাবে জানানোর কথা বলা হলে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা লিখিতভাবে তাঁদের সমস্যাগুলো জানান এবং প্রশাসনে আশ^াসে তাঁরা বিক্ষোভ বন্ধ করে বাড়ি ফিরে যান।
কালীগঞ্জ:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ‘লকডাউনের’ বিরুদ্ধে ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ‘লকডাউনের’ প্রথম দিন গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন তাঁরা। এসময় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সড়কে অবরোধ চলাকালীন সময়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া এসে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর বেলা দুইটার দিকে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করেন তাঁরা।
রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে দেশে ‘লকডাউন’ শুরু হয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। এজন্য ‘লকডাউন’ প্রত্যাহারের দাবিতে রাস্তায় নেমে পড়েন ব্যবসায়ীরা। গতকাল সোমবার তাঁরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেইন বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন কালীগঞ্জ উপজেলা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক ইনদাদুল হক ইনতা, ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল হান্নান, জহুরুল হক বিপ্ল¬ব, আক্তার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সারা বছর তেমন বেচাকেনা থাকে না ব্যবসায়ীদের। ঈদেই একটু ভালো বেচাকেনা হয়। এর আগের ঈদেও ব্যবসায়ীরা ‘লকডাউনে’ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। তাঁরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান। অবিলম্বে ‘লকডাউন’ প্রত্যাহার করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
