ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গায় তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর
ভ্রাম্যমাণ প্রতিবেদক, আলমডাঙ্গা:
আলমডাঙ্গায় দিন-দুপুরে অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু ফারহানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে আলমডাঙ্গা থানার পুলিশ। গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আলমডাঙ্গার এক কবিরাজের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। একই সময় অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আলমডাঙ্গা থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলার আনন্দধাম গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে শাওন (২৪), একই এলাকার মৃত. লুৎফর হোসেনের ছেলে আকাশ (২০), খোরশেদ (২৫) একই উপজেলার আসাননগর গ্রামের মৃত. আকমলের ছেলে, আলমডাঙ্গা কলেজপাড়ার কাজী লালের ছেলে কাজী সুমন (৩০) ও আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী থানার সেলিমের স্ত্রী রাশেদা।
জানা যায়, অপহৃত শিশু ফারহানকে অপহরণের কয়েক ঘণ্টার মাথায় মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা। এঘটনার পরে অপহৃত শিশু আবদুল আজিজ ফারহানের পিতা আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর থেকেই পুলিশ অপহরণকারীদের ধরতে ও শিশুটিকে উদ্ধার করতে মাঠে নামে। অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর গত বুধবার রাত ৩টার দিকে ফারহানকে উদ্ধার করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমডাঙ্গা থানায় পুলিশ এক প্রেস ব্রিফিং করে সাংবাদিকদের জানায়, অপহরণকারীরা রাতে অপহৃত শিশুর পরিবারের নিকট মোবাইল ফোনরে মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পুলিশ ওই মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে অব্যাহত অভিযান পরিচালনা করে। এক পর্যায়ে বুধবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে আলমডাঙ্গার আট কপাটের অদূরে বাঁশ বাগানের একটি বাড়ি থেকে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে।
পুলিশ এসময় অপহরণ চক্রের ৫ সদস্যসহ অপহরণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও ৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। পুলিশ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে। ব্রিফিং শেষে অপহরণকৃত শিশু ফারহানকে তাঁর বাবা কাজি সজিবের কাছে হস্তান্তর করে।
প্রেস ব্রিফিং-এ চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম (সদর সার্কেল) বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাইদুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আমার নেতৃত্বে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মাসুদুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) দেবব্রত রায়সহ আলমডাঙ্গা থানার একটি চৌকশ পুলিশ টিম তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ৭ ঘণ্টা বিরতিহীন অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত শিশু কাজী আব্দুল আজিজ ফারহারকে উদ্ধার করে।’
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, কোনো মুক্তিপণ ছাড়াই ফারহানকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তার চাচা কাজী সুমনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানায় নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
শিশুর পিতা কাজী সজিব বলেন, ‘বুধবার সন্ধারপর আমার মোবাইলে একটি ফোন আসে। মোবাইলের অপরপ্রান্ত থেকে বলে আপনার ছেলে ভালো আছে, ভালো অবস্থায় ফেরত পেতে চাইলে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। এরপরেই ফোন কেটে দেয়। পরে আবারও ফোন করে টাকার কথা জানান। এসময় আমি ফোন নম্বরটি আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবিরকে দিই। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দিয়েছে। শিশু ফারহানের পেটে কয়েকটি ইনজেকশন দেওয়ার মতো ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। মনে হয় ওরা ফারহানকে ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে রেখেছিল।
পুলিশ এসময় অপহরণ চক্রের ৫ সদস্যসহ অপহরণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও ৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। পুলিশ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে। ব্রিফিং শেষে অপহরণকৃত শিশু ফারহানকে তাঁর বাবা কাজি সজিবের কাছে হস্তান্তর করে।
প্রেস ব্রিফিং-এ চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম (সদর সার্কেল) বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাইদুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আমার নেতৃত্বে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মাসুদুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) দেবব্রত রায়সহ আলমডাঙ্গা থানার একটি চৌকশ পুলিশ টিম তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ৭ ঘণ্টা বিরতিহীন অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত শিশু কাজী আব্দুল আজিজ ফারহারকে উদ্ধার করে।’
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, কোনো মুক্তিপণ ছাড়াই ফারহানকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তার চাচা কাজী সুমনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানায় নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
শিশুর পিতা কাজী সজিব বলেন, ‘বুধবার সন্ধারপর আমার মোবাইলে একটি ফোন আসে। মোবাইলের অপরপ্রান্ত থেকে বলে আপনার ছেলে ভালো আছে, ভালো অবস্থায় ফেরত পেতে চাইলে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। এরপরেই ফোন কেটে দেয়। পরে আবারও ফোন করে টাকার কথা জানান। এসময় আমি ফোন নম্বরটি আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবিরকে দিই। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দিয়েছে। শিশু ফারহানের পেটে কয়েকটি ইনজেকশন দেওয়ার মতো ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। মনে হয় ওরা ফারহানকে ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে রেখেছিল।
