ছবির ক্যাপশন:
নৃশংসভাবে মানুষ হত্যা, হামলা, নারকীয় তাণ্ডবের প্রতিপাদ্যে মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে বিএনপির বিক্ষোভ
মেহেরপুর:
সরকার কর্তৃক নৃশংসভাবে মানুষ হত্যা, হামলা, নারকীয় তাণ্ডব, এবং গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মেহেরপুর জেলা বিএনপি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মেহেরপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের চত্বরে মেহেরপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি মাসুদ অরুনের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় তিনি বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের মধ্য দিয়ে যে বাংলাদেশ ৫০ বছরের স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করবে, সেই সুবর্ণজয়ন্তীকে রক্তে লাল করেছেন আপনারা। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, এই তাণ্ডবের সাথে যারা জড়িত, তাদের বিচার করতে হবে। শহীদ পরিবারকে ক্ষতি পূরণ দিতে হবে। আমাদের চিটাগাঙের নেতা শাহাদত হোসেনসহ গত চার দিনে এ দেশের ছাত্র-জনতার নামে যে মিথ্যা মামলা হয়েছে, তা প্রত্যাহার করতে হবে। এবং এই সরকারকে একটি চূড়ান্ত ওয়ারের মধ্য দিয়ে আপনার ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আসতে হবে।
এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, জাভেদ মাসুদ মিল্টন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, জুলফিকার আলী ভুট্টো, দপ্তর সম্পাদক আবু সুফিয়ান হাবু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সেখানে বক্তব্য দেন।
ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার সকালে শহরের এইচএসএস সড়কের জেলা বিএনপির কার্যালয় চত্বরে সকাল থেকে জড়ো হয় দলটির নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশের বাধায় বিক্ষোভ মিছিল করতে না পারলেও সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম মনার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাড. এম এ মজিদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান, মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলমগীর হোসেন, সদর পৌর সদস্যসচিব মাহবুবুর রহমান শেখর, যুগ্ম-আহ্বায়ক লাকি আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ঝিনাইদহ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস। বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে হেফাজতের কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে, যা কাম্য ছিল না। এই সরকারের হাত রক্তে রঞ্জিত। তাদের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। স্বৈরাচার এরশাদ সরকারকেও হাসিনা সরকার হার মানিয়ে বিশ্বের বুকে মাফিয়াতন্দ্রের জনক হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। বক্তারা হেফাজত কর্মীদের হত্যার সঙ্গে জড়িত দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করেন।
