ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুর গাংনীতে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা
গাংনী অফিস:
মেহেরপুরের গাংনীতে শত্রুতামূলকভাবে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছে দুই যুবক। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গাংনীর দেবীপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে তাঁদেরকে আটক করের দুজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে মেহেরপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মুন্দা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রাহেদুল ইসলাম (২২) ও একই গ্রামের জাকিরুল ইসলামের ছেলে মুসতাকিন (১৮)।
জানা যায়, রাহেদুল ইসলামের সঙ্গে গাংনীর দেবীপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের বোনের সাত বছর পূর্বে বিবাহ হয়েছে। রাহেদুলের অসঙ্গতিপূর্ণ চলাচলের কারণে মাস তিনেক আগে খোরশেদ আলম তাঁর বোনকে বাড়িতে নিয়ে চলে আসে। এতে রাগান্বিত হয়ে খোরশেদকে ফাঁসাতে তাঁর ঘরে আগ্নেয়াস্ত্র রেখে পুলিশে খবর দেয় রাহেদুল ও তার সঙ্গী মুসতাকিম। পুলিশকে জানায় খোরশেদের ঘরে গাঁজা রয়েছে। এসময় বামন্দী ক্যাম্প পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল খায়ের ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শরিফুল বিষয়টি তদন্তে গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পান। বিষয়টি গাংনী থানার ওসিকে জানানো হলে ঘটনা সম্পর্কে জানানো ওই দুই সোর্সকে কৌশলে ডাকতে বলেন তিনি। দুজনকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর কথা স্বীকার করলে তাঁদেরকে আটক করা হয়। গাংনী থানার ওসি বজলুর রহমান জানান, খোরশেদের বাড়িতে গাঁজা আছে এমন সংবাদ দেওয়া দুজন সোর্সকে কৌশলে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার বিষয়টি তাঁরা স্বিকার করে নেয়। এসময় দুজনের বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র আইনে মামলার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে, এ ঘটনার পর গাংনী থানার ওসি বজলুর রহমানকে তাঁর বিচক্ষণতার জন্য সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানিয়ে প্রশংসা করে।
