ছবির ক্যাপশন:
লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগমে চুয়াডাঙ্গায় উলামা পরিষদের ১৩তম ইসলামি মহাসম্মেলন সম্পন্ন
সমীকরণ প্রতিবেদক:
লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগমে বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপী জেলা উলামা পরিষদের ১৩তম ইসলামি মহাসম্মেলন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রোববার চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ সংলগ্ন মাঠে এ মাহফিলের মূল আকর্ষণ ছিলেন প্রধান বক্তা আল্লামা মামুনুল হক। চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদের আয়োজনে ইসলামি মহাসম্মেলনে শরিক হতে গতকাল সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা আসতে থাকেন। বাস-ট্রাক, মাইক্রো-মিনিবাস, সিএনজি-অটো, মোটরসাইকেলসহ নানা ধরনের ছোট-বড় যানবাহনযোগে মাহফিলে উপস্থিত হয়ে আলোচনা শোনেন প্রায় এক লাখ মানুষ। গতকাল বিকেলের পরপরই বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে সড়কে প্রচুর যানজটের সৃষ্টি হলেও ধর্মপ্রাণ মানুষেরা সেসব উপেক্ষা করেই পৌঁছান মাহফিলস্থলে। যদিও আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিশালাকার প্যান্ডেলের প্রস্তুত রাখা হয়েছিল, তারপরও মাঠ ছাপিয়ে দর্শক শ্রোতাদের জায়গা নিতে হয় আশপাশের সড়ক ও খালি জায়গাগুলোতে। সন্ধ্যার আগেই আশেপাশের বেশকয়েকটি জেলা থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় মাহফিল-প্যান্ডেল। তবে মাহফিলের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় মাগরিবের নামাজের পর।
এরপর বিশেষ বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী। বেশ কিছু সময় তিনি কোরআন ও হাদিস থেকে বর্ণনা উপস্থাপন করে বক্তব্য দেন। এরপর মাহফিল ময়দানে এসে হাজির হন প্রধান বক্তা বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও আলোচিত বক্তা আল্লামা মামুনুল হক। তিনি বক্তব্য শুরু করলেই তাঁর জন্য অধীর আগ্রহে থাকা মানুষেরা নিশ্চুপ হয়ে তাঁর কথাই বুদ হয়ে যান। টানা ১ ঘণ্টার কিছুটা বেশি সময় ধরে পবিত্র কোরআন ও হাদিস থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম ছিল মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) ও ইসলামের দাওয়াত প্রভূতি বিষয়।
মাহফিলে দেশের বিভিন্ন শহর, গ্রাম, পাড়া, মহল্লা থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, নারী-পুরুষসহ অন্তত এক লাখ জনতার উপস্থিতি চোখে পড়ে। দেরিতে আসায় মাহফিল ময়দানে জায়গা না পেয়ে যেখানে-সেখানে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রধান বক্তার বক্তব্য উপভোগ করেন অনেকেই। মাহফিলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সার্বক্ষণিক দায়িত্বে ছিলেন পুলিশসহ স্থানীয় কয়েকশ স্বেচ্ছাসেবক। প্রধান বক্তা আল্লামা মামুনুল হকের বক্তব্য রেকর্ড করতে মঞ্চের সামনে ক্যামেরা নিয়ে ভিড় করেন বিভিন্ন ইউটিউবার, আইপি টিভিসহ ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনরা।
এদিকে, প্রথমে বিভিন্ন দিকে কিছুটা কান কথা শোনা যায় এ মহাসম্মেলন হচ্ছে না। তবে উলামা পরিষদ থেকে বারবার জানানো হয়েছিল দুই দিনের মহাসম্মেলন হচ্ছে। কিন্তু প্রথম দিন ও সকল প্রচার-প্রচারণাসহ ঘোষণা মঞ্চে এ আয়োজনকে ১৩তম ইসলামি মহাসম্মেলন বলা হলেও গতকাল শনিবার মাহফিলের ব্যানার হঠাৎ করেই পরিবর্তন করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় লেখা ছিল। এ নিয়ে উলামা পরিষদের এক সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্ত দিয়ে বলেছেন, প্রশাসন থেকে এমনটিই নির্দেশনা ছিল।
মাহফিলে দেশের বিভিন্ন শহর, গ্রাম, পাড়া, মহল্লা থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, নারী-পুরুষসহ অন্তত এক লাখ জনতার উপস্থিতি চোখে পড়ে। দেরিতে আসায় মাহফিল ময়দানে জায়গা না পেয়ে যেখানে-সেখানে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রধান বক্তার বক্তব্য উপভোগ করেন অনেকেই। মাহফিলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সার্বক্ষণিক দায়িত্বে ছিলেন পুলিশসহ স্থানীয় কয়েকশ স্বেচ্ছাসেবক। প্রধান বক্তা আল্লামা মামুনুল হকের বক্তব্য রেকর্ড করতে মঞ্চের সামনে ক্যামেরা নিয়ে ভিড় করেন বিভিন্ন ইউটিউবার, আইপি টিভিসহ ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনরা।
এদিকে, প্রথমে বিভিন্ন দিকে কিছুটা কান কথা শোনা যায় এ মহাসম্মেলন হচ্ছে না। তবে উলামা পরিষদ থেকে বারবার জানানো হয়েছিল দুই দিনের মহাসম্মেলন হচ্ছে। কিন্তু প্রথম দিন ও সকল প্রচার-প্রচারণাসহ ঘোষণা মঞ্চে এ আয়োজনকে ১৩তম ইসলামি মহাসম্মেলন বলা হলেও গতকাল শনিবার মাহফিলের ব্যানার হঠাৎ করেই পরিবর্তন করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় লেখা ছিল। এ নিয়ে উলামা পরিষদের এক সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্ত দিয়ে বলেছেন, প্রশাসন থেকে এমনটিই নির্দেশনা ছিল।
