ছবির ক্যাপশন:
গাংনী অফিস: মেহেরপুরের গাংনীতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ইটভাটায় চাঁদাবাজি করা সন্দিগ্ধ দুই চাঁদাবাজ নিহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাত তিনটার দিকে গাংনী-বারাদী সড়কের হাড়িয়াদহ ও মালশাদহের মাঠের মধ্যে এ বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় এসআই শংকর কুমার ঘোষসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। নিহতরা হচ্ছেন, গাংনী উপজেলার রাইপুর ইউপির চাদপুর দুলালনগর গ্রামের মাদার আলীর ছেলে শিপন (২৪) ও একই এলাকার আবেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (২৬)। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি সার্টারগান, দুটি কার্তুজ, ২টি বোমা ও ২টি রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ বন্ধুকযুদ্ধে পলাতক ব্যক্তিদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যহত রয়েছে বলেও জানান পুলিশ। গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, রাতে হাড়িয়াদহ মাঠের মধ্যে থানা পুলিশের একটি দল টহল দিচ্ছিল। এসময় ওই সড়কের পাশে অবস্থিত এসএবি ইটভাটার পাশে সন্দেহভাজন কয়েকজন চাঁদাবাজের উপস্থিতির খরব পায়। পুলিশের দলটি সেখানে পৌঁছুলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে চাঁদবাজ-সন্ত্রাসীরা। পুলিশ পাল্টা গুলির জবাব দিলে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এসময় সন্ত্রাসীরা পিছু হটে গেলে সেখান থেকে দুজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও বোমা উদ্ধার করা হয়। এদিকে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আহত হয়েছেন চার পুলিশ সদস্য। তাদেরকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এঘটনা পুলিশ ২৬ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে। গতকালই নিহত শিপন ও আলমগীরের লাশ ময়না তদন্ত শেষে গ্রামের গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শিপনের নামাজের জানাযা শেষে আসরের নামাজের পর দাফন করা হয় এবং আলমগীরের মাগরিবের পর জানাযার নামাজ শেষে একই কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহত দুজনের বিরুদ্ধে রয়েছে মামলা। আলমগীরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ ৪ টি মামলা ও শিপনের বিরুদ্ধে ২টি মামলা চলমান ছিলো।
