ছবির ক্যাপশন:
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬
সমীকরণ প্রতিবেদক:
গত কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। ফলে শীতের তীব্রতায় নাকাল নিম্নআয়ের মানুষ। বিশেষ করে হিমেল হাওয়ায় উত্তরাঞ্চলে লোকজনের দুর্ভোগের সীমা নেই। তাপমাত্রার এমন অবস্থা আপাতত পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় দেশে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা আরও কমে এসেছে। দেশের পাঁচটি অঞ্চলে আজ শৈত্যপ্রবাহ বইছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশে গতকাল মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে তেঁতুলিয়া ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গোপালগঞ্জ, কুমিল্লা, তেঁতুলিয়া, কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার সকালেও ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল আকাশ। উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসের কারণে কনকনে ঠাণ্ডা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত সোমবারও জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চুয়াডাঙ্গার হাটকালুগঞ্জে অবস্থিত প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক জানান, আকস্মিক তাপমাত্রা কমে যাওয়া, মেঘলাভাব কেটে যাওয়া ও উত্তর থেকে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।
