ছবির ক্যাপশন:
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৪৭০
সমীকরণ প্রতিবেদন:
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৪৭০ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ সময়ে মারা গেছেন ৩২ জন। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় অ্যান্টিজেনভিত্তিক পরীক্ষাসহ মোট ১৫ হাজার ৬৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৬৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৬৯৪ জন। দেশে এ পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৫ লাখ ২ হাজার ১৮৩ জন। করোনায় দেশে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৭ হাজার ৩১২ জন। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ক্রমেই মহামারি আকারে সংক্রমণ বিশ্বের প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। প্রথম রোগী শনাক্তের তিন মাস পর ১৮ জুন তা এক লাখ ছাড়িয়ে যায়। এরপর এক মাসের ব্যবধানে ১৮ জুলাই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় দুই লাখে। এর পরের এক লাখ রোগী শনাক্ত হয় ১ মাস ৯ দিনে, ২৬ আগস্ট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছাড়ায় ৩ লাখ। গত ২৬ অক্টোবর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়িয়ে যায়। আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে ৫৫ দিন। মাস দুয়েক সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর গত নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। তবে এক সপ্তাহ ধরে দেশে করোনা সংক্রমণের হার কম দেখা যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা না আসা পর্যন্ত সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। বিশেষ করে বাইরে বের হলে মুখে মাস্ক পরা শতভাগ নিশ্চিত করা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার বিধি মেনে চলতে হবে।
চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গায় আরও তিনজন করোনা শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৩৪ জন। গতকাল সোমবার রাত আটটায় জেলা সিভিল সার্জন অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করে। গতকাল জেলায় নতুন একজন সুস্থ হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫১৮ জন। নতুন আক্রান্ত ৩ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ১ জন, আলমডাঙ্গার ১ জন ও জীবননগরের ১ জন রয়েছে। আক্রান্তদের সকলেই পুরুষ, বয়স ৬০ থেকে ৮০ বছর পর্যন্ত।
জানা যায়, গত রোববার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা পরীক্ষার জন্য ১৮টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। গতকাল উক্ত নমুনার মধ্যে ১৮টি নমুনার ফলাফল সিভিল সার্জন অফিসে এসে পৌঁছায়। এর মধ্যে ৩টি নমুনার ফলাফল পজিটিভ ও বাকী ১৫টি নমুনার ফলাফল নেগেটিভ আসে। গতকাল করোনা পরীক্ষার জন্য জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ সদর উপজেলা থেকে ১২টি, আলমডাঙ্গা থেকে ১টি ও দামুড়হুদা উপজেলা থেকে ১টি নমুনাসহ মোট ১৪টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করেছে।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ ৭ হাজার ২৫৯টি, প্রাপ্ত ফলাফল ৭ হাজার ৬৫টি, পজিটিভ ১ হাজার ৬৩৪টি, নেগেটিভ ৫ হাজার ৬৪৭টি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলায় হোম আইসোলেশনে ছিলেন ৪৪ জন ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ছিলেন ৩ জন। চুয়াডাঙ্গা জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৩ জন। এর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলার বাইরে।
