ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় জেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কম্পিউটার ব্যবসার আড়ালে চলছে অশ্লীল ভিডিও ও পর্নোছবির রমরমা ব্যবসা। অনুসন্ধানে জানা যায়, এখনকার সময়ের দর্শক নীল ছবি দেখার ক্ষেত্রে প্রথম প্রাধান্য দিচ্ছে স্মার্টফোনকে। পর্নোগ্রাফি দর্শকের বড় অংশই হলো পুরুষ, এমন ধারণা আমাদের সবার। একাংশে সত্য হলেও এই ধারণা কত দিন টিকবে, তা বলা মুশকিল। নীল ছবির বিষয়ে আগ্রহ এখন নারীদেরও কম নয়। বিশেষ করে, আশির দশকের পর জন্মানো নারীদের পর্নোগ্রাফির প্রতি আগ্রহ একটু বেশিই বটে! এগুলো মনগড়া কথা নয়, রীতিমতো গবেষণালব্ধ ফল। চুয়াডাঙ্গা শহরের আলী হোসেন সুপার মার্কেট, ফাতেমা প্লাজা, ষ্টেশন রোড, রেলবাজার, বড় বাজার, বেলগাছির গেট, জাফরপুর মোড়, ইসলাম পাড়া, হাজরাহাটি, তালতলা, বাগান পাড়া, দৌলতদিড়ারসহ প্রায় ৪০/৫০ টি কম্পিউটারের দোকানে কতিপয় অসাধু কম্পিউটার ব্যবসায়ী অসৎ উপায়ে অর্থলোভের আশায় অল্প টাকার বিনিময়ে তাদের কম্পিউটারের গোপন ফোল্ডারে সংরক্ষিত করে রাখা অশ্লীল ও পর্নো ভিডিওগুলো স্কুল-কলেজ পড়ুয়া উঠতি বয়সী যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে যেকোন বয়সের ব্যক্তিদের মোবাইলের মেমরি এবং পেনড্রাইভে সরবরাহ করে যাচ্ছে। কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীরা উক্ত পর্নো ছবি গুলোর ছদ্মনাম হিসেবে নিউ ফোল্ডার, আলিফ লায়লা, ম্যাজিক, কাটা, টক-মিষ্টি-ঝাল ইত্যাদি নামগুলো ব্যবহার করে। আর এই নগ্ন ছবি গুলো লোড নিতে আসে যুবক, শিশু ও কিশোর শ্রেনীর ছেলেরাই বেশী। তবে যে কোন বয়সের মানুষ এখন নগ্ন ও পর্নো ছবি গুলো লোড নিচ্ছে বলে দোকানের অনেক মালিক এই প্রতিবেদক কে জানান। এসব নগ্ন ও পর্নো ছবি দেখে শিশু-কিশোর বা বয়স্ক প্রাপ্তরা নিজের অজান্তে আবেগে বসে জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধ মুলক কর্মকান্ডে। মোবাইলে নগ্ন ও পর্নো ছবি লোডের কারনে সমাজে অসামাজিক কার্যকলাপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব লোড দেওয়া নগ্ন ও পর্নো ছবির হাতের পর হাত বদল হয়ে চলে যাচ্ছে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের হাতে।ফলে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়ে তারা কোন বন্ধুর বাসায় অথবা নির্জন কোন যায়গায় বসে এসব নগ্ন ও পর্নো ছবি দেখছে।পর্নো ও নগ্ন ছবি গুলো দেখার ফলে ছাত্র ছাত্রীদের নৈতিক অবক্ষয় প্রতিনিয়ত ঘটছে। এতে একদিকে যেমন সমাজে অসামাজিক কাযকলাপ, ইভটিজিং, পরকীয়া সহ সামাজিক অবক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরদিকে তেমনি যুব সমাজ ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে। ইভটিজিং থেকে শুরু কঢ়ে ধর্ষনের মত ঘটনা। এ দিকে বলতে গেলে প্রশাসনের নাকের ডগাই বসে অসাধু ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন নিরব ভুমিকা পালন করছে। এব্যাপারে সচেতন অভিভাবক ও সদর উপজেলাবাসীগণ চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
