ছবির ক্যাপশন:
জীবননগরের উথলি সোনালী ব্যাংকে লুটের ঘটনা মূল হোতা রাসেলসহ চার দস্যু গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের উথলী সোনালী ব্যাংক শাখায় লুটের ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে লুটের ৮ লাখ ৮২ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে ৫ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং লুটের কাজে ব্যবহৃত খেলনা পিস্তল, ধারালো অস্ত্র, পিপিই, মোটরসাইকেল, হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। আটককৃতরা হলেন- জীবননগর দেহাটী গ্রামের রফিক উদ্দিনের ছেলে মূল হোতা সাফাতুজ্জামান রাসেল (৩০), মৃত আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর ছেলে মো. হৃদয় (২২), জাহাঙ্গীর শাহ-এর ছেলে মো. রকি (২৩) ও মফিজুল শাহ-এর ছেলে মাহাফুজ আহম্মেদ আকাশ (১৯)।
পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম আরও জানান, ভারতীয় সনি টিভির সিরিয়াল ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে এই চারজন ব্যাংক লুট করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ হন এবং এজন্য তাঁরা নিজেরা নিজেরাই প্রশিক্ষণ নেন। গত ১৫ নভেম্বর দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই দস্যুতার ঘটনা ঘটে। জীবননগর থানা পুলিশ সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে যশোরের চৌগাছা উপজেলা শহর থেকে দস্যুতার মূল হোতা জীবননগর উপজেলার দেহাটি গ্রামের সাফাতুজ্জামান রাসেলকে (৩০) গ্রেপ্তার করে। পরে একই রাতে দস্যু দলের অন্য সদস্য জীবননগর উপজেলার দেহাটি গ্রাম থেকে জাহাঙ্গীর শাহের ছেলে রকি (২৩), মফিজুল শাহের ছেলে মাহফুজ আহম্মেদ আকাশ (১৯) এবং আখতারুজ্জামান বাচ্চুর ছেলে হৃদয়কে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দস্যু দলের সদস্যদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ব্যাংক থেকে লুট হওয়া নগদ পাঁচ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত দুটি খেলনা পিস্তল, দুটি হেলমেট, দুটি চাপাতি, দুটি মোটরসাইকেল এবং পিপিই উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) কনক কুমার দাস, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) আবু রাসেলসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
