৬টি চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে রাজপথে নামা হবে

আপলোড তারিখঃ 2020-12-08 ইং
৬টি চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে রাজপথে নামা হবে ছবির ক্যাপশন:
রাষ্ট্রীয় চিনিকলসমূহ বন্ধের প্রতিবাদে দর্শনায় কর্মবিরতি, বিক্ষোভ মিছিল ও আলোচনা সভায় বক্তারা দর্শনা অফিস: ‘যার যার দল তার তার, শ্রমিক সার্থে এক কাতার’ এই স্লোগানে রাষ্ট্রীয় চিনিকলসমূহ বন্ধের প্রতিবাদে ও পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে দর্শনায় কর্মবিরতি পালন, আলোচনা সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কেরু অ্যান্ড কোম্পানির সকল বিভাগের শ্রমিক ও কর্মচারীরা প্রায় ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন। এসময় কেরুজ চিনিকলের ডিস্টিলারী কারখানার প্রধান ফটকের সামনে কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন ও চিনিকল আখচাষি কল্যাণ সমিতির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি তৈয়ব আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান, সহসভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান, সহসাধারণ সম্পাদক খবির উদ্দিন, সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ, আখচাষি কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আ. হান্নান, সাধারণ সম্পাদক বারী বিশ্বাস ও সহসভাপতি ওমর আলী। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ও চিনি শিল্প কর্পোরেশনের একটি কুচক্রি মহল তাদের স্বার্থ আদায়ের লক্ষে ও বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্তে দেশের ১৫টি চিনিকল আজ হুমকির মুখে। ইতোমধ্যে সরকারের বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের ওপর চাপিয়ে ৬টি চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বন্ধ করার সিদ্ধান্তের ৬টি রাষ্ট্রায়াত্ব চিনিকল কুষ্টিয়া, পাবনা, রংপুর, পঞ্চগড়, শ্যামপুর ও সেতাবগঞ্জ। আমরা সরকারবিরোধী আন্দোলন করছি না, ন্যায্য দাবি আদায় ও রুটি-রুজির স্থান টিকিয়ে রেখে ঁেবচে থাকার আন্দোলন করছি। এছাড়া কর্পোরেশন যে ৬টি চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ওই সব চিনিকলের স্থায়ী শ্রমিকদের বাকি ৯টি চিনিকলে স্থানান্তর করে সমন্বয় করা ও উক্ত চিনিকলের আখচাষিদের উৎপাদিত ইক্ষু পার্শ্ববর্তী চিনিকলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত বলে বিবেচনা করেন বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, কর্মসূচি অনুযায়ী আজ থেকে দেশের রাষ্ট্রায়াত্ব প্রত্যেকটি চিনিকল গেটে আখচাষি ও শ্রমিক-কর্মচারীদের সমন্বয়ে প্রতিদিন ২ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর স্ব স্ব চিনিকল এলাকার ডিসি/ইউএনও যৌথ ফেডারেশনের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের ভেতরে আসন্ন মাড়াই মৌসুম দেশের ১৫টি চিনিকলের মধ্যে ৯টি চিনিকল চালু ও ৬টি চিনিকল বন্ধ রাখার আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত বাতিল/প্রত্যাহার করে একযোগে ১৫টি চিনিকল চালু না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে নামা হবে। আলোচনা শেষে শ্রমিক-কর্মচারী আখচাষিবৃন্দ উক্ত স্থান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে দর্শনা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি ফারুক আহমেদ, ইউনিয়নের সদস্য আক্রাম হোসেন, শরিফুল ইসলাম, বাবর আলী, সাইফুদ্দিন সুমন, মিণ্টু প্রমুখ।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)