ভিজিডি কার্ড হাতে উপকারভোগীদের মানববন্ধন

আপলোড তারিখঃ 2020-08-18 ইং
ভিজিডি কার্ড হাতে উপকারভোগীদের মানববন্ধন ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ নিজস্ব প্রতিবেদক: জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হক রোকনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে ভিজিডি কার্ড হাতে শতাধিক উপকারভোগীরা মানববন্ধন করেছেন। গতকাল সোমবার বিকেলে আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে ভিজিডির চালের উপকারভোগী ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গড়চাপড়া গ্রামের জাহেদা খাতুন বলেন, ‘আমরা পতিবার ৩০ কেজি করিই চাইল পাই। ইরা সুময় মতো আমাগের ডাকে। আমরা আইসে নিয়ি যায়। কুনোসময় চাইল কম হইনি। আর কার্ড হউয়ার পর থেকে ১৯ বস্তা চাইল পাইচি। কুনোদিন উরা মাইরে খায়নি। কিডা বইলেছে আমাদের চাইল মারি দিয়েছে। আমাদের চাইল দিনির দিনই আমরা পাইচি।’ এ ছাড়াও ৭ নম্বর জেহালা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ভাতার কার্ডসহ বিভিন্ন ব্যানার এবং ফেস্টুন হাতে নিয়ে প্রায় শতাধিক উপকারভোগী নারীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানববন্ধন করেন। মানবন্ধনের ব্যানারে লেখা ছিল- ৭ নম্বর জেহালা ইউনিয়ন পরিষদ ও এর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল হক রোকনের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন। আয়োজনে: জেহালা ইউনিয়নবাসী। মানববন্ধনে থাকা নারীদের হাতে চেয়ারম্যানের মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধ কর, করতে হবে। চাল চুরির ভিত্তিহীন অভিযোগ বন্ধ কর। অপপ্রচার চলবে না, চলে না। ষড়যন্ত্র বন্ধ কর। উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রচার মানি না, মানব না। সকল মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচারের প্রতিবাদ করছি। ষড়যন্ত্র করা চলবে না। সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে, এরকম কিছু লেখা ফেস্টুনও ছিল। কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইউপি সদস্য শ্রী যোগেন্দ্র নাথ দেব, আলমগীর কবির ও আনারুল ইসলাম সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অভিন্ন ভাষায় বলেন, জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বিরুদ্ধে সরকারি ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছে একটি মহল। আসলে তা সত্য নয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ইউনিয়ন পরিষদের ইমেজ নষ্ট করতে এমন প্রপাগন্ডা ছড়ানো হচ্ছে। এছাড়া যে পরিমাণ চালের হিসাব দেখিয়ে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেটাও হাস্যকর।’ মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জেহালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল হক রোকন। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এমন ইমেজ নষ্ট করতে আমার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী একটি পক্ষ মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। সরকারি বরাদ্দকৃত চাল নির্দেশনা অনুযায়ী বণ্টণ করা হয়। ভিজিডির চাল সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে উঠিয়ে বিতরণের জন্য সরকারি নির্দেশনা আছে। এই চাল কখনোই আমি নিজে উত্তোলন করি না। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিবারই এ চাল উঠানো হয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১০৬ বস্তা চালও সরকারি নির্দেশনা মেনে উঠিয়ে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে। চাল উঠানোর জন্য আমি চেয়ারম্যান হিসেবে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক একজন ইউপি সদস্যকে (মেম্বার) দায়িত্ব দিই। সেপ্টেম্বর মাসের চাল বিতরণেও সেই অনুযায়ী ডিও করে আমি একজন ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। নিয়মানুযায়ী একটি ভিজিডি কার্ডের মেয়াদ দুই বছর হয়ে থাকে। পরিষদের সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় দারিদ্র মানুষের মধ্যে এই ভিজিডি কার্ড বিতরণ করেন। সেই কার্ডধারীদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া ইউপি সদস্য সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে চাল উত্তোলন করে নির্দিষ্ট দিনেই বণ্টন করেন। প্রত্যেক কার্ডধারী ৩০ কেজি করে চাল পেয়ে থাকেন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের যে চালের কথার অপপ্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং বানোয়াট। আগামী নির্বাচনে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়নো হচ্ছে।’ এ সময় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ মিললে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে আর প্রমাণ না মিললে যারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’ মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য হাসিবুল ইসলাম, আব্দুল মজিদ, মুসলিমা খাতুন, সেলিনা খাতুন, মনোয়ারা খাতুন প্রমুখ।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)