জীবননগর অফিস: একটি মাত্র ব্রীজের অভাবে মারাত্বক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে গ্রামবাসী। এমনকি ওই গ্রামের ছাত্রছাত্রীসহ সাধারন কৃষকদের ব্রীজটি পার হয়ে যেতে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে। এরআগে দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকায়^ সচিত্র প্রতিবেদনের পরে জীবননগর উপজেলার চেয়ারম্যান আবু মো. আব্দুল লতিফ অমল ও স্থানীয় নেতাকর্মী জনগনকে সাথে নিয়ে বাঁশের তৈরি ব্রীজটি পরিদর্শন করেন এবং এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে তিনি ব্রীজটি খুব শীঘ্রই তৈরি করবেন বলে এলাকাবাসীকে জানান। অবশেষে গত কয়েক দিন আগেই এই ব্রীজটির কাজের উদ্বোধন করা হয়। ইতোমধ্যেই কাজ শুরু হতে না হতেই ব্রীজের কাজের অনিয়ম শুরু হয়েছে বলে গ্রামবাসী অভিযোগ করে। এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ কালা গ্রামের গাংপাড়াবাসী একটি ব্রীজের অভাবে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতো। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পরে জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান বাঁশের তৈরি সাঁকোটি পরিদর্শন করেন এবং তিনি এলাকাবাসীকে আশ্বস্থ করেন বাঁশের তৈরি সাঁকোটি ভেঙ্গে অচিরেই এখানে একটি ব্রিজ নির্মান করা হবে। সে কথা মত ব্রিজটি নির্মান কাজ শুরু হয়। এই ব্রিজটি নির্মান কাজের উদ্বোধন হওয়ায় এলাবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পুরন হল বলে সকলে আনন্দ করতে থাকেন। কিন্তু ব্রীজ নির্মানের জন্য যে ধরনের মেটেরিয়েল দেওয়ার কথা তা প্রথম থেকেই অনিয়ম করা হচ্ছে । এ বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারকে বললে তারা গ্রাম বাসীর সাথে কথা বলতে রাজি হচ্ছে না, এমন কি এই ব্রিজটির বাজেটে কি পরিমান রড দেওয়ার কথা জানতে চাইলে তিনারা বলতে অপরাগত জানান। অথচ ব্রিজটি নিচে যে ধরনের রড দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে তা একে বারেই নিন্ম মানের। শুধু রডই এতে যে খোয়া দিয়ে ঢালাই দেওয়া হচ্ছে এটি সুড়কি হিসাবে ব্যবহার হয়ে থাকে বলে সকলে জানান। এদিকে এলাকাবাসী সহ সুশীল সমাজের সকলের দাবি দীর্ঘ দিনের গ্রামবাসীর দাবী ব্রীজটি যাতে সুন্দর ও সময় উপযোগী হয়ে তার সু ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
