ছবির ক্যাপশন:
বাংলাদেশ সরকারকে ঈদের উপহার, ভারত দিল ১০টি ব্রডগেজ রেল ইঞ্জিন
আওয়াল হোসেন/ওয়াসিম রয়েল:
ভারত সরকার ঈদের উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে ১০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ (রেল ইঞ্জিন) উপহার দিয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে ইঞ্জিন ১০টি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে ইঞ্জিন ১০টি গ্রহণ করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী। এর আগে বেলা তিনটায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকর সিং এবং রেল শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল নিজ দেশের পতাকা উড়িয়ে ইঞ্জিন হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতার উদ্বোধন করেন। এরপরই ভারতের গেদে স্টেশনে অপেক্ষমাণ ১০টি ব্রডগেজ ইঞ্জিন বাংলাদেশের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। এ সময় বাংলাদেশের রেলভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. জয়শংকর পারস্পরিক বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে রচিত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্কের গভীরতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের বন্ধুপ্রতিম দেশ। ভারত তা সবসময় মনে রাখে। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতেও ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কোনো ছেদ পড়েনি। এটি দুই দেশের জন্যই ইতিবাচক একটি দিক। চলমান ঐতিহাসিক মুজিববর্ষে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে আরও মাইলফলক অতিক্রম করবে। ভারতের রেলপথ, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশ কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব হ্রাস করতে রেল সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করেছে। ব্যয় সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব বাহন হিসেবে রেল আন্তঃসীমান্ত পণ্য পরিবহনে সহায়তা করেছে। গত জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে পণ্য এবং কাঁচামাল বহনের জন্য মোট ১০৩টি মালবাহী ট্রেন ব্যবহৃত হয় বলেও উল্লেখ করেন রেলমন্ত্রী।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ১৯৭১ সালে ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে উন্নত। আমরা সেটি স্মরণ করি। আগামীতে এই সম্পর্কের ধারা আরও গভীর হবে।’
ভারতের ১০টি ব্রডগেজ রেল ইঞ্জিনগুলোকে ‘ঈদ উপহার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিকায়ন করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ভারতের ১০টি ইঞ্জিন উপহার সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা।’
প্রায় ৪৫ মিনিটের ভিডিও কনফারেন্স শেষে ভারতের ১০টি ব্রডগেজ রেল ইঞ্জিন বেলা ৩টা ২৩ মিনিটে বাংলাদেশের দর্শনা রেল স্টেশনে এসে পৌঁছায়। এ সময় তাঁদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ হাজি আলী আজগর টগর, জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম ও রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার মীর কান্তি গুহসহ রেলওয়ের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। আনুষ্ঠানিক ট্রেন হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে দুই দেশের রেলওয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পরে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে আনুষ্ঠানিকতা শেষে পার্বতীপুরে ৫টি ও ঈশ্বরদীর উদ্দেশে ৫টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়।
পরে সাংবাদিকদের বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী বলেন, ১০টি ইঞ্জিন উপহার হিসেবে পাওয়াতে বাংলাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত ও প্রসার ঘটবে। এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘ক্রমেই বাংলাদেশ রেলওয়ের লোকসানের মাত্রা কমে আসছে। আগামীতে এটি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি।’
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রেলমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী ভারত ভ্রমণ করেন। ওই ভ্রমণকালে নয়াদিল্লিস্থ রেলভবনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেলওয়ে সেক্টরের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানানো হয়। পরে একই বছরের ২৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে গেলে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া যৌথ বিবৃতির অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ রেলওয়েকে লোকোমোটিভসমূহ বা ব্রডগেজ ইঞ্জিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সিদ্ধান্তর আলোকে চলতি বছরের ২১ জুলাই দুই দেশের রেল কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
প্রায় ৪৫ মিনিটের ভিডিও কনফারেন্স শেষে ভারতের ১০টি ব্রডগেজ রেল ইঞ্জিন বেলা ৩টা ২৩ মিনিটে বাংলাদেশের দর্শনা রেল স্টেশনে এসে পৌঁছায়। এ সময় তাঁদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ হাজি আলী আজগর টগর, জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম ও রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার মীর কান্তি গুহসহ রেলওয়ের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। আনুষ্ঠানিক ট্রেন হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে দুই দেশের রেলওয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পরে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে আনুষ্ঠানিকতা শেষে পার্বতীপুরে ৫টি ও ঈশ্বরদীর উদ্দেশে ৫টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়।
পরে সাংবাদিকদের বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী বলেন, ১০টি ইঞ্জিন উপহার হিসেবে পাওয়াতে বাংলাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত ও প্রসার ঘটবে। এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘ক্রমেই বাংলাদেশ রেলওয়ের লোকসানের মাত্রা কমে আসছে। আগামীতে এটি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি।’
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রেলমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী ভারত ভ্রমণ করেন। ওই ভ্রমণকালে নয়াদিল্লিস্থ রেলভবনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেলওয়ে সেক্টরের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানানো হয়। পরে একই বছরের ২৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে গেলে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া যৌথ বিবৃতির অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ রেলওয়েকে লোকোমোটিভসমূহ বা ব্রডগেজ ইঞ্জিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সিদ্ধান্তর আলোকে চলতি বছরের ২১ জুলাই দুই দেশের রেল কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
