ছবির ক্যাপশন:
শহর প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পাচমাইল নামক স্থানে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় স্কুলছাত্র রক্তাক্ত জখম হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামগামী শ্যামলী পরিবহনের ধাক্কায় সায়েম (১৫) রক্তাক্ত জখম হয়। সে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কোর্টপাড়ার আমিনুল ইসলামের ছেলে এবং চুয়াডাঙ্গা ভি,জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণী ছাত্র। জানা গেছে, সায়েম তার সহপাঠির সাথে গতকাল বিকেলে বাইসাইকেলযোগে চুয়াডাঙ্গা থেকে সরোজগঞ্জের দিকে বেড়াতে যায়। পরে পাচমাইল নামক স্থানে পৌছূলে মেহেরপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী শামলী পরিবহন (ঢাকা মেট্রো গ ১২-০২৪৩) সায়েমকে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সায়েম ছিটকে রাস্তার পাশের ঝোড়ের মধ্যে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আলমসাধুযোগে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সায়েমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ঢাকায় রেফার করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, সায়েমের অবস্থা খুবই আশংকাজনক। মাথায় আঘাতের কারণে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার পরই শ্যামলী পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপার ঝিনাইদহ ডাকবাংলা বাজারে গাড়িতে যাত্রী রেখে পালিয়ে যায়। পরে ডাকবাংলা ক্যাম্প পুলিশ বাসটি হেফাজতে নেয়। এ বিষয়ে ডাকবাংলা ক্যাম্পের ইনচার্জ আবুল কাশেম বলেন, আমি দুর্ঘটনার কারণে গাড়িটা আটক করি নাই। গাড়িটি বাজারে ফেলে রেখে ড্রাইভার-হেলপার-সুপারভাইজাররা পালিয়ে যাওয়ায় গাড়িটা মানুষের সম্পদের হেফাজতের উদ্দেশ্যে আটক করি। আর আমি পরে জানতে পারি যে গাড়িটা পাচমাইলে দূর্ঘটনা ঘটিয়েছে।
