ছবির ক্যাপশন:
নিজেস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষক সেতো শিক্ষিত জাতি গঠনের মূল কান্ডারী যদি শিক্ষাই জাতীর মেরুদন্ড হয় তাহলে শিক্ষিত জাতি গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় স্বহৃদয়/স্বশিক্ষিত শিক্ষক যার শিক্ষার আলোকে দেশ থেকে ঘুচতে পারে দুস্কৃতিকারীর মত জঘন্ন অন্ধকার। আর বিদ্যালয় সেতো সভ্যতার ফুল ফোটানোরই জায়গা। আর সেখানেই যদি হয় নানা ধরনের অর্থবানিজ্যের মত কার্যক্রমের বাহানা তাহলে নবীন সমাজ এখান থেকে কি শিক্ষা নিতে পারে? এটা কোন সিনেমা, নাটক বা বানানো ডায়ালগ নয় বলা হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের খাড়াগোদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কথা যেখানে প্রতিবছরই চলে নানা ধরনের অর্থ বানিজ্যেরর মত কাজ যা এই বিদ্যালয়ের গরীব অসহায় শিক্ষার্থী অভিভাবকদের গলাই কাঁটা বিঁধার মত। প্রতিবার এই বিদ্যালয় থেকে প্রায় ৮০-১০০ জনের অধিক ছাত্র/ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে যার অধিকাংশই গরীর মধ্যবিত্ত পরিবারের। এবারও তার ব্যাতিক্রম নয় ফেব্রুয়ারি ২ তারিখ থেকে সারা বাংলাদেশের সাথে একযোগে খাড়াগোদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯১জন পরিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এ বছরে প্রধান শিক্ষকের কাছে ১৮০০টাকা দিয়ে রেজিট্রেশন করার পর আবার ব্যবহারিকের পয়েন্ট নেবার জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০ করে টাকা নেওয়ায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। টাকা না দিলে নাকি কোন বছরই ব্যবহারিক খাতায় স্বাক্ষর হয় না। এটা একটা ব্যাবসার মধ্যে ধরে নিয়েছে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। এসএসসি পরীক্ষার দিন এগিয়ে আসলে তাদের এই সাক্ষর অনেক গরীব শিক্ষার্থীকে টাকার বিনিময়ে কিনে নিতে হয়। টাকা না দিলে নাকি ব্যাবহারিকের নাম্বার না দেবার হুমকি আসে কয়েকজন শিক্ষকের কাছ থেকে। তবে এই টাকা তোলার দ্বায়িক্ত দেখায় যেন অত্র বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবু তিলুয়ার মুন্না। এবিষয় অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামসহ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি শফিকুজ্জামান রাজু মাষ্টারের অনুমতিক্রমে হচ্ছে বলে জানাগেছে। অভিভাবকবৃন্দদের চাওয়া উর্ধতন কর্মকর্তা যদি এদিকে একটু সুনজর দিতো তাহলে এই শোষনের হাত থেকে আগামীবার হয়তো বাঁচতে পারতো অনেক গরীব অসহায় শিক্ষার্থীর অভিভাবক।
