চুয়াডাঙ্গার ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট নুরুজ্জামান ও কনষ্টেবল মহসীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের অভিযোগ

আপলোড তারিখঃ 2017-01-28 ইং
চুয়াডাঙ্গার ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট নুরুজ্জামান ও কনষ্টেবল মহসীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের অভিযোগ ছবির ক্যাপশন:

`sdfse`

বিশেষ প্রতিনিধি অঞ্জন দত্ত: চুয়াডাঙ্গায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট নুরুজ্জামান ও কনষ্টেবল মহসীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। নিজের ক্ষমতা জাহির করতে জেলা আ.লীগের কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অশালিন মন্তব্যের অভিযোগও করেছেন জামজামির ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রতন শাহ। জানা গেছে, গতকাল আনুমানিক দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নিজের চাচার মউতে খানা খেতে রওনা হয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের ঘোড়ামারা ব্রীজের নিকট ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট নুরুজ্জামান কর্তৃক আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক একই ইউনিয়নের ভোদুয়া গ্রামের মৃত আজগর আলী শাহের ছেলে রতন শাহকে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। রতন শাহ সাংবাদিকদের কাছে জানান, আমি হাজরাহাটি আমার চাচার মউতে খানা খেতে যাচ্ছিলাম পথিমধ্যে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের ঘোরামারা ব্রীজের নিকট সার্জেন্ট নুরুজ্জামানসহ তার ফোর্স আমার জাপানি হোন্ডা সিডিআই লাল কালারের ১০০সিসির মোটরসাইকেলটি চেকিংয়ের কথা বলে আটক করে। আমি আমার মোটরসাইকেলের সকল কাগজপত্র দেখায় শুধুমাত্র ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া। এসময় সার্জেন্ট নুরুজ্জামান তার কনস্টেবল মহসীনকে বলে ওনার মোটরসাইকেল ট্রাফিক অফিসে নিয়ে যাও, কাগজপত্র সঠিক কিনা চেক করতে হবে। কনস্টেবল মহসীন আমাকেসহ আমার মোটরসাইকেল নিয়ে রেল বাজার ট্রাফিক অফিসে আসেন এবং আমাকে বলেন টাকা দেন আমি স্যারকে ম্যানেজ করে মোটরসাইকেলটি ছাড়িয়ে দিচ্ছি। আমি চাঁদা না দিয়ে আমার দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতার কাছে ফোন করি এবং বিষয়টি তাদের জানায়। পরে আমার নেতারা সার্জেন্ট নুরুজ্জামান ফোনে অনুরোধ করলে সার্জেন্ট নুরুজ্জামান নিজের ক্ষমতা জাহির করতে আমার শ্রদ্ধেয়ের নেতাদের এমনকি পুলিশের কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার তিনি কেয়ার করেন না বলে তাদের নিয়ে অশালিন মন্তব্য করেন। পরে সার্জেন্ট নুরুজ্জামান আমার কাছ থেকে তিন হাজার পাচশত টাকা নিয়ে গতকালই রাত ৯টার দিকে আমার মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেন। আমি খুব কষ্ট পাই আমার শ্রদ্ধেয়ের নেতাদের নিয়ে আমার সামনে অশালিন মন্তব্য করাই তাই সাংবাদিকদের জানায় নিজের বিবেক থেকে। এবিষয়ে সার্জেন্ট নুরুজ্জামান বলেন, ‘গাড়ির কাগজপত্র ঠিক আছে কী নেই এটা দেখা আমাদের দায়িত্ব। তবে আমি কারোর বিরুদ্ধে কোন অশালীন মন্তব্য করিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেন, ট্রাফিক পুলিশ কাগজপত্র চেকিংয়ের নামে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে হয়রানী করে চলেছে। এটা দ্রুত বন্ধ না হলে পুলিশের ওপর থেকে আমাদের সম্মান উঠে যাবে। সার্জেন্ট নুরুজ্জামান ও কনস্টেবল মহসীনের এমন অসদাচরণ বন্ধ না হলে ট্রাফিক পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান উঠে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা। এছাড়া ট্রাফিক লঙ্ঘনের কোন মামলা না দিয়ে ছেড়ে দিয়ে আইনকে অপব্যবহার করা তার ঠিক হয়নি বলে অনেকে মন্তব্য করেছে। অতিদ্রুত চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের অভিযোগ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপারের কাছে অনুরোধ করেছেন জেলার বিশিষ্টজনেরাসহ ভুক্তভোগীরা।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)