ছবির ক্যাপশন:

আওয়াল হোসেন/ওয়াসিম রয়েল: শনিবার দর্শনা কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিকী সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন। তৈয়ব আলী সভাপতি ও মাসুদুর রহমান মাসুদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে। গতকাল নানা ধরণের ঐক্য গড়া ভাঙ্গা, একে অপরের মধ্যে শপথ নেওয়াসহ নানা গুনজনের মধ্যে দিয়ে ভোটাররা তাদের ভোট প্রদান করেন। দফায় দফায় বিভিন্ন প্রতিকের মুহুর মুহুর মিছিল আর কে কত ভোটের মালিক তা প্রদর্শন করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। এমনি নানা জলপনা কল্পনা আর কড়া নিাপত্তার মধ্যে দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহন করেন কমিশন। ভোটের নিাপত্তার জন্য একজন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সরাক্ষন এর নেত্রীত্বে এক প্লাটুন পুলিশ দায়িত্ব পালন করেন। কেরুজ শ্রমিক ইউনিয়নের এ নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেনসহ ৫ সদস্যের একটি টিম নির্বাচনের পরিচালনার সকল দায়িত্ব পালন করেন। ১৩টি পদের জন্য ১ হাজার ১৪০ জন ভোটারের অনুকুলে ৩৬জন প্রার্থীর মধ্যে ভোট প্রদান করবেন। তবে মোট প্রার্থী ছিল ৩৭জন এসব প্রার্থীর মধ্যে প্রশাসন ও হিসাব বিভাগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইয়ুব আলী সন্টু সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে তৈয়ব আলী (চাঁদতারা) মার্কায় ৫৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ফিরোজ আহম্মদ সবুজ(হারিকেন) মার্কায় ৩৫ ভোট পেয়েছেন। মোস্তাফিজুর রহমান (মই) মার্কায় ২৪ ভোট পেয়েছে। হাফিজুল ইসলাম (আনারস) মার্কায় ভোট পেয়েছেন। সহ-সভাপতি পদে ফারুক হোসেন (মাছ) মার্কায় ৪২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি রজউল করিম (তলোয়ার) মার্কায় ৩৬৯ ভোট পেয়েছেন। জুলফিকার হায়দার জুলু ( মোরগ) মার্কা ৩০৬ ভোট পেয়েছেন । সাধারণ সম্পাদক পদে মাসুদুর রহমান (বাই-সাইকেল) মার্কায় ৬৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মনিরুল ইসলাম প্রিন্স (ছাতা) মার্কায় ৪১৭ ভোট পেয়েছেন এবং ইসমাইল হোসেন (গাড়ীর চাকা) মার্কায় ২৫ ও আতাউর রহমান ( দেওয়াল ঘড়ি) মার্কায় ০৬ ভোট পেয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে খবির উদ্দিন (তালা চাবি) মার্কায় ৩৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বাবুল আক্তার ২৮৪ ভোট, একরামুল হক খলিল (টেবিল) মার্কায় ১০৯ ভোট, ইদ্রিস আলী (হাতি) মার্কায় ৭৮ বাবুল আক্তার পরিবহন বিভাগে (ফুটবল) মার্কায় ২৮৪, বাবুল আক্তার উৎপাদন বিভাগে (খেঁজুর গাছ) মার্কা ১১৫ ও মহিদুল ইসলাম (কাপ প্রিস) মার্কা ভোট পেয়েছে ৫৬টি। সদস্য পদে প্রশাসন ও হিসাব বিভাগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইয়ুব আলী সন্টু নির্বাচিত হয়েছে। সদস্য পদে চেলাই কারখানা বিভাগে দুই জন প্রার্থী এরা হলেন বাবর আলী ডাব মার্কা ১০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ও ইদ্রিস আলী (বেলচা) মার্কায় ৩৪ ভোট পেয়েছন। গ্যারেজ (পরিবহন বিভাগে) ৪জন প্রার্থীর মধ্যে শরিফুল ইসলাম-১ (টর্চ লাইট) মার্কায় ১০৬ ভোট নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া আব্দুল কুদ্দুস (ডাব) মার্কা ৩১ ভোট, শরিফুল ইসলাম (হাঁতুড়ি) মার্কা ৩১ ও ইয়াসির আরাফাত মিলন (আখেঁর আটি) ১ ভোট পেয়েছেন। ইক্ষু সংগ্রহ বিভাগে দুইজন প্রার্থীর মধ্যে এরা হলেন, ইয়ামিন হক (আখেঁর আটি) ৭০ ও মতিয়ার রহমান (ডাব) মার্কায় ৬৫ ভোট পেয়েছেন। ইক্ষু উন্নয়ন বিভাগে ৩জন প্রার্থী মধ্যে এএসএম কবির (আখেঁর আটি) ৪০ ভোট ও সাইফুদ্দিন (ডাব) ৪০ সাহেব আলী শিকদার (বেলচা) মার্কায় ৩ ভোট পেয়েছেন। উৎপাদন বিভাগে ২জন সদস্যর অনুকুলে ৪জন প্রার্থীর মধ্যে গোবিন্দ কুমার হালদার (বালতি) মার্কা ১০৫ ও হাফিজুর রহমান (বেলচা) মার্কায় ১৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া মজিবর রহমান (ডাব) মার্কায় ৯৩ ও মতিয়ার রহমান(হাঁতুড়ি) মার্কায় ৫৯ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া প্রকৌশলী বিভাগে ২জন সদস্যর অনুকুলে ৪জন প্রার্থী ভোট করেন। এদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম (হাঁতুড়ি) মার্কায় ১১৫ ও আকরাম আলী (কাঁঠাল) মার্কায় ৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া মফিজুর রহমান (বেলচা) মার্কা ৮৩ ও আক্তারুল ইসলাম (ডাব) মার্কা প্রতিকে ৪০ ভোট পেয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।
