ছবির ক্যাপশন:

বিশেষ প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় ভিক্ষুকদের পূনর্বাসনে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন ইউনিয়নের ভিক্ষুকদের মাঝে এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫০জন ভিক্ষুকের মাঝে ছাগল, মুরগী, সেলাই মেশিন, শাড়ি, লুঙ্গী ও ভ্যান বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত সকল ভিক্ষুক অতিথিদের সামনে হাত তুলে ভিক্ষাবৃত্তি পরিত্যাগের অঙ্গিকার করে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুসের সভাপতিত্বে সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে বিভিন্ন ইউনিয়নের ভিক্ষুকদের মাঝে পূনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আবদুস সামাদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আনজুমান আরা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুর রাজ্জাক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী দেব প্রসাদ পাল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি দে। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে সারাদেশে বিভিন্ন পূনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশের প্রথম ভিক্ষুকমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে নড়াইল। এছাড়া অন্যান্য জেলাগুলোর কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। সেক্ষেত্রে চুয়াডাঙ্গা পিছিয়ে থাকলে হবে না। তাদেরকেও এগিয়ে যেতে হবে। তবেই বাংলাদেশ ভিক্ষুকমুক্ত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা যারা স্বচ্ছল-আমাদের উপার্জনের সামান্য অংশ যদি দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার কার্যক্রমে ব্যয় করি তাহলে অতি দ্রুত তা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। তিনি সরকারি সকল কর্মকর্তাদের প্রতি মাসের একদিনের বেতন দরিদ্রদের মাঝে প্রদানের আহ্বান জানান। পরে তিনি ১৫০ জন ভিক্ষুকের মাঝে পূনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভিক্ষুকদের মাঝে দুইটি ভ্যান, তিনটি সেলাই মেশিন, লুঙ্গী ১৫টি, শাড়ী ১৩টি, মুরগী ৩৫ জোড়া, ছাগল ৪৪টি, রান্না সামগ্রী হাড়ি ১০০টি, কড়াই ১০০টি এবং ১০০টি প্লেট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল সামী।
