ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা ইউপির ৩ নং প্যানেল চেয়ারম্যান রহিমা বেগমকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেছে একই এলাকার খলিল ডাক্তার। নাতী ছেলেকে মারধরের প্রতিবাদ করতে গেলে রহিমা বেগম ও তার পূত্রবধূকেও চড়-থাপ্পড়সহ শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে খলিল। এবিষয়ে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ীতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ৩ নং প্যানেল চেয়ারম্যান রহিমা। জানা গেছে, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রহিমা বেগমের নাতী ছেলে মানিককে মারধর করে একই এলাকার নিজাম মালিথার ছেলে খলিল ডাক্তার। মানিকের বিক্রির জন্য কাছে থাকা সিদ্ধ ডিমে লাথি মেরে ফেলে দেয় সে। এসময় রহিমা বেগম তার প্রতিবাদ করতে গেলে আরও উত্তেজিত হয়ে রহিমা বেগমকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। সাথে থাকা রহিমার পুত্রবধূ পারুলকেও চড়-থাপ্পড়সহ শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে খলিল। এ বিষয়ে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়িতে একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, প্যানেল চেয়ারম্যানকে লাঞ্চিত করায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে অন্যান্য ইউপি সদস্যরা। একজন নারী জনপ্রতিনিধি ও তার পুত্রবধূকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিতকারীকে আইনের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা।
