ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর-হুদাপাড়া সীমান্তের লাইন বন্ধের নাটকিয়তা থাকলেও সীমান্তে বেপরোয়া চোরাকারবারি ও দালালচক্র। জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্তবতী এলাকা মুন্সিপুর-হুদাপাড়া সীমান্তে লাইন বন্ধ রয়েছে অথচ এ সীমান্তে চোরাকারবারি ও দালালচক্র ফারুক ও ঝন্টু অবৈধ কার্যকম থেমে নেই। রাতের আধারে কিমবা খুব ভোরে চোরাকারবরিরা ও দালালচক্র অন্যতম ফারুক ও ঝন্টুর সহযোগিতায় ফেন্সিডিল, ইয়াবা, মদ, রোপাসহ বিভিন্ন চালান এ সীমান্ত পথে ভারতে থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফারুক ও ঝন্টুর সহযোগিতায় পাচার হচ্ছে। অবশ্য এ কাজেও ফারুক ও ঝন্টু দীর্ঘদিন থেকে জড়িত। মুন্সিপুর সীমান্তে নাম প্রকাশে অনেকেই বলেন ফারুক ও ঝন্টু মুিন্সপুর সীমান্ত দিয়ে গোল্ড, নারী ও শিশু মোটা টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করে থাকেন। এছাড়াও এদুজন জেলার সীমান্ত পথে ঘটে যাওয়া সকল খবরসহ সকল দৈনিক স্থানীয়-জাতীয় প্রত্রিকা মুন্সিপুর সীমান্ত পথ দিয়ে ভারতে পাঠিয়ে থাকে বলে জানা গেছে। ফারুক ও ঝন্টু বাহিনীর দালাল ও চোরাকারবারিরা এতোই বেপরোয়া যে তাদের নামে কথা বলার মতো কারো সাহস হয় না। এদিকে হুদাপাড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে আসা ভারতীয় শাড়ি, জুতা, মেডিসিন, কসমেটিক্স ইউপি সদস্য ভগুর সহযোগিতায় চোরাকারবারিরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বড় বড় চালান পাচার করে আসছে বলে জানা গেছে। এতে করে বাংলাদেশের সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব এদিকে ভগু একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এধরনের কর্মকান্ডে হতবাক অনেকেই। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ৬-বিজিবির পরিচালক ও জেলার সুযোগ্য ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মহোদয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সীমান্ত এলাকার সচেতন মহলসহ সাধারন এলাকাবাসী।
