গোবরগাড়ার খাদেজার জীবনে ভাতার কার্ড জোটেনি ৬২ বছরেও খেজুরগাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ : কার্ডের জন্য প্রতিনিয়ত চেয়ারম্যান-মেম্বারের দ্বারে দ্বারে

আপলোড তারিখঃ 2017-01-14 ইং
গোবরগাড়ার খাদেজার জীবনে ভাতার কার্ড জোটেনি ৬২ বছরেও খেজুরগাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ : কার্ডের জন্য প্রতিনিয়ত চেয়ারম্যান-মেম্বারের দ্বারে দ্বারে ছবির ক্যাপশন:

`IMG_20170113_230658_048`তিতুদহ প্রতিনিধি: নারী, সেতো মায়ের জাত। একটা পরিবারের সাথে একটা নারীর সম্পর্ক যেনো একই মুদ্রার এপিট-ওপিট। আর নারীকে শুধু সংসারেই মানায়। তবে এই সমাজে অনেক নারী আছে যারা বিশেষ কোনো কারনে সংসারের সুখ তাদের ভাগ্যে জুটে না। হতে পারে সেটা দারিদ্র অথবা বিশেষ কোনো কারন। নারী হয়ে তবুও কেনো পরিবার ছেড়ে করতে হচ্ছে সম্পূর্ণ একটা ছেলে মানুষের কাজ, এটাই কি নারীর কর্ম?।  এটা ফিল্মের কোনো সিনেমা বা নাটকের গল্প নয় বলা হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা তিতুদহের গোবরগাড়া গ্রামের মরহুম শেখ মফিজ উদ্দীনের বড় মেয়ে দারিদ্র আর জীবন যুদ্ধে সংগ্রামী এক সফল নারী খাদেজার (৬২) কষ্টের সাথে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত লড়াই/ সংগ্রাম করার গল্প। আদরের ছোট ছয় ভাই আর দুই বোনের একমাত্র বড় বোন খাদেজা। ছোট থেকেই সংগ্রামী। তবে সংগ্রামের পথে তাকে নামতে হয়েছে অস্বচ্ছল পরিবারের কষ্টটা নিবারনের জন্য। ছোট ৮ ভাই-বোনকে খাদেজার কাছে রেখে চির বিদায় নেন বাবা মফিজ উদ্দীন। এরপর থেকেই ছোট ভাই-বোনদের বড় করা ও পরিবাদের দায়িত্ব দুই ই এসে পড়ে খাদেজার ভাগ্যে। অভাবের সংসারে কষ্টের সাথে সংগ্রাম করে ছোট থেকে বড় করে তুলেন ভাই বোনদের। এরই এক পর্যায়ে বিবাহ ও দেন। তবে সেটা সম্পূর্ণ নিজে পরের জায়গাতে কাজ করে। ছোট ভাই বোনদের বড় করতে গিয়ে খাদেজার নিজেরই বিবাহ করা কপালে জুটেনি। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দোচালা টিনের শীটের আর বাঁশের ফাঁকা বেড়ার ঘর খাদেজার। এর মধ্যেই তার রাত্রীবাস। শীতে প্রচন্ড শীত আর বৃষ্টি ভিজে তার সমস্ত জিনিস। অভাবের সাথে সংগ্রাম করতে করতে এখন সে নিজেই খেজুরগাছ কাটেন, পরের জমিতে দিন মুজুরি করেন। কিন্তু তার দেখার মতো কেউ নাই। নির্বাচন আসলেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দেয় লোভ দেখানো নানা প্রতিসূতি খাদেজার একটা ভোটের মূল্য যেন  হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তুু নির্বাচন  শেষে তার আর কোনোটাই হয় না বাস্তবায়ন। খাদেজার নাই কোনো বয়স্ক ভাতা কিংবা দারিদ্র কার্ড। এমনকি ১০টাকা কেজি চাউলও তার কপালে জুটেনি।এ ব্যাপারে  তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব আকতার হোসেন ও একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড মেম্বর মনিরুদ্দীনের কাছে খাদেজা অনেকবার কার্ডের কথা বললে তারা  বারবার প্রতিশ্রতি দেয় কিন্তুু তবে এই দিন যে কবে আসবে আমার জীবনে একথা বলে চোখের জল ছেড়ে দেয় সে। খাদেজা আরও বলেন বর্তমান বাংলাদেশ প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বঞ্চিত  নারীদের ওপর নানা ধরনের সুবিধার ব্যাবস্থা করা সত্বেও আমি কেন আজ অবহেলিত? আমিও পেতে চায় সুবিধার ভাগ। তাই এলাকাবাসীর চাওয়া উর্ধতন কর্মকর্তা যদি খাদেজার ওপর একটু সুনজর দেন তাহলে সুবিধা বঞ্চিত খাদেজার জীবনে কিছুটা হলেও সুখের আলো দেখতে পারবে বলে মনে করছে সবাই।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)