ছবির ক্যাপশন:

দর্শনা অফিস: দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে একেরপর এক দোকান চুরির ঘটনা ঘটেই চলেছে। বাজার কমিটি নীরব থাকায় সাধারন মানুষসহ ভূক্তভোগীরা হতবাক। কিন্তু কমিটির নেতৃবৃন্দ বললেন দোকানীদের উদাসীনতায় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটছে। জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার বাসস্ট্যান্ডে রাস্তা সংলগ্ন ও বিভিন্ন মার্কেট দিয়ে প্রায় ২৫০টি দোকান গড়ে উঠেছে। ১৫ দিনে ৭ দোকানে চুরির ঘটনায় দোকানীদের মধ্যে সর্বদায় চুরি আতঙ্ক বিরাজ করছে। ১৫দিনে চুরি হওয়া দোকানগুলো হল: আক্কাসের ভাংড়ির দোকান তালা ভেঙ্গে নগত ৮ হাজার টাকা, শুকুর আলীর পানের দোকান থেকে নগত টাকা ও সিগারেট দিয়ে ১৫ হাজার টাকার মালামাল, স্বপনের চায়ের দোকান থেকে সিগারেট, টেবিল ফ্যান ও নগত টাকা দিয়ে ১২ হাজার টাকার মালামাল, শেখ সাইকেল স্টোর থেকে বিভিন্ন রকমের পাট্স আনুমানিক মুল্য ১৫ হাজার টাকা, বিল্লাল স্টোরে তালা ভাঙ্গে কিন্তু কিছু নিতে পারেনি, সর্বশেষ সুবাশের সেলুন থেকে গতরাতে টেলিভিশন চুরির ঘটনা উল্লেখযোগ্য। এলাকা সুত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে এই বাজারে কোন নৈশ প্রহরী না থাকায় এধরনের চুরির ঘটনা ঘটছে। নৈশ প্রহরী না থাকার কথা বাজার কমিটির কাছে জানতে চাইলে বাজার কমিটির সা:সম্পাদক সন্টু বললেন, মোট দোকানের মধ্যে মাত্র ৩৬ জন দোকানদার নৈশ প্রহরী বেতনের টাকা দেয়। এছাড়া ৪টি নৈশ প্রহরী মাসে ১৬হাজার টাকা বেতন দিতে হয়। এটাকা আমরা কোথা থেকে দেব! তবে এবিষয়ে এলাকাবাসী ও সুধী সমাজ কমিটির কার্যক্রমের ব্যর্থতা বলে দাবি করছে। এসকল সমস্যার সমাধান করে অতিসত্তর পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য বাজার কমিটিসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগী দোকানীসহ এলাকাবাসী।
