ঝিনাইদহে গ্রীড স্টেশনের জমি অধিগ্রহনের নামে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ কুলফাডাঙ্গার কৃষকরা সাক্ষি দিলেও ব্যবস্থা নেই অভিযুক্ত’র বিরুদ্ধে

আপলোড তারিখঃ 2016-11-28 ইং
ঝিনাইদহে গ্রীড স্টেশনের জমি অধিগ্রহনের নামে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ কুলফাডাঙ্গার কৃষকরা সাক্ষি দিলেও ব্যবস্থা নেই অভিযুক্ত’র বিরুদ্ধে ছবির ক্যাপশন:

`xsd`

ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুলফাডাঙ্গা গ্রামের কৃষকরা তাদের কাছ থেকে জবরদস্তি মূলকভাবে ঘুষ আদায়ের লিখিত অভিযোগ দিলেও রাঘব বোয়ালদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না। ফলে কৃষকদের মাঝে নানা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইতিপূর্বে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৩২ নং কুফাডাঙ্গা মৌজায় গ্রীড স্টেশনের জন্য জমি অধিগ্রহনে কানুনগো সিরাজুল ইসলাম জমির মালিকদের কাছ থেকে এক লাখে ১০হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করেন বলে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিলো। জমির মালিকরাও জেলা প্রশাসকের অফিসে হাজির হয়ে তদন্ত কাজে সহায়তা করেন। তারা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) দপ্তরে হাজির হয়ে ঘুষ গ্রহনের জন্য দায়ি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত দেন। এরপর কয়েক দিন কেটে গেলেও কানুনগো সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। সিরাজুল ইসলাম ঘুষের টাকা হজম করতে গোপালগঞ্জে বাড়ি বলে প্রচার করছে। এদিকে এলাকার দালাল খ্যাত একরামুল হক নান্টু নিজেকে ধোয়া তুলসি পাতা দাবী করে স্থানীয় একটি পত্রিকায় টাকা দিয়ে প্রতিবাদ ছাপিয়েছেন। সত্য ঘটনা আড়াল করতে নান্টু দালালের এই মিথ্যাচার কুলফাডাঙ্গা কৃষকদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার অরুন কুমার নামে এক কৃষক এ প্রতিনিধির কাছে ফোন করে জানান, নান্টু দালালের মিথ্যাচার সত্য বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার নামান্তর। তিনি এ বিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করেন। অরুন কুমার দাবী করেন, তাদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহনের বিষয়টি দিনের আলোর মতো পরিস্কার। তারপরও কেন জেলা প্রশাসন দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। উল্লেখ্য ঝিনাইদহে ওয়েষ্টার্ণ গ্রীড নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার ১৩২নং কুলফাডাঙ্গা মৌজায় ১৬ একর ৪০ শতক জমি অধিগ্রহন করা হয়। এ জন্য এলাকার প্রায় ৩৫/৪০জন কৃষদের ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। বেশির ভাগ কৃষ অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসকের ওয়েলফেয়ার ফান্ডের নামে কানুনগো সিরাজুল ইসলাম লাখে ১০ হাজার টাকা চেক প্রদানের আগেই হাতিয়ে নিয়েছেন। এ হিসেবে কানুনগো সিরাজুল আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করেছেন। তার সাথে একজন বদলী হওয়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জড়িত বলে খবর পাওয়া গেছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)