ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস: সাদা পোশাকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার সাড়ে ৫ মাস পর ঝিনাইদহ শহরের পাবলিক হেলথ জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন সোহেল রানা (২২) কে জঙ্গী সন্দেহে আটকের দাবী করেছে র্যাব। সোহেল রানা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুন্ডু গ্রামের নুর ইসামের ছেলে। গত ৩ জুন থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। রাজধানীর উত্তরা ও আদাবর এলাকা থেকে জেএমবির সরওয়ার-তামিম গ্র`পের পাঁচ জঙ্গিকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বৃহস্পতিবার সকালে র্যাবের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো মোবাইল ফোনের খুদে বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। খুদে বার্তায় বলা হয়, আটক হওয়া পাঁচ জঙ্গির মধ্যে প্রশিক্ষক, বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ ও অর্থ সমন্বয়কারী রয়েছে। র্যাব সদরদপ্তরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, `র্যাব-২ এর একটি দল বুধবার রাতে অস্ত্র ও গোলাবার`দসহ তাদের গ্রেপ্তার করে।` সোহেল রানার স্বজনরা জানান, গত ৩ জুন শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর একটি কালো রংয়ের হাইয়েজ গাড়িতে কে বা কারা তাকে তুলে নিয়ে যায়। সেই থেকে তার কোন সন্ধান ছিল না। এ ঘটনায় পরদিন ঝিনাইদহ সদর থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়। জিডি নং ১৪৫। সোহেল রানার ভাই মাসুদুর রহমান জানান, সোহেল ঝিনাইদহ শহরের পাবলিক হেলথ জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি কিভাবে কখন নিখোঁজ হলেন তা জানি না। তিনি আরো জানান, মসজিদের মুসল্লীরা তাদেরকে সে সময় জানিয়েছিলেন একটি মাইক্রোবাসে করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সোহেলকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার ৫ মাস ১৬ দিন পর বৃহস্পতিবার তারা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারেন সোহেল রানা জঙ্গী গ্র`পের সাথে আটক হয়েছেন। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ র্যাবের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মনির আহম্মেদ জানান, সোহেল রানার ব্যাপারে তাদের কাছে কোন তথ্য নেই।
